গলায় রশি পেঁচিয়ে সাইফুরকে হত্যা করেন রুপা!

গলায় রশি পেঁচিয়ে সাইফুরকে হত্যা করেন রুপা!

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটের মদন মোহন কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক মো. সাইফুর রহমান হত্যায় জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন গ্রেফতারকৃত দুই তরুণ-তরুণী।

তাদের মধ্যে রয়েছে প্রেমের সম্পর্ক। স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে রাতে সাইফুর রহমানকে নিয়ে নগরীর সোবহানীঘাট এলাকার হোটেল মেহেরপুরে ওঠেন নিশাত তাসনীম রুপা । হোটেলে ওঠার পর  সাইফুরকে বিষ ও ঘুমের ওষুধ খাইয়ে দেন রুপা। এরপর  গলায় রশি পেঁচিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে তার লাশ ফেলে দেয়া হয় দক্ষিণ সুরমায়।

সোমবার সিলেট মহানগর ৩য় আদালতের হাকিম সাইফুর রহমানের আদালতে এমনটি জবানবন্দি দেন নগরীর শাহপরান এলাকার খিদিরপুর গ্রামের শফিকুর রহমানের মেয়ে নিশাত তাসনীম রুপা (২০)। একই আদালতে রুপার কথিত প্রেমিক ছাতক উপজেলার আলমপুর গ্রামের মোজাম্মিল হোসেনও (২৪) স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
রুপা আদালতকে বলেন, শনিবার রাত ৮টার দিকে তিনি সাইফুরের সাথে এম. সি কলেজ ক্যাম্পাসে দেখা করেন এবং তাকে বিশ ও ঘুমের ওষুধ মিশ্রিত সেমাই খেতে দেন। সেমাই খাওয়ার পর সাইফুর রহমানকে নিয়ে রুপা হোটেল মেহেরপুরের ২০৬ নং কক্ষে উঠেন। কক্ষে উঠার কিছুক্ষণ পর সাইফুর কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়লে নিশাত তাসনিম রুপা তাহার সাথে থাকা রশি দিয়ে গলায় পেচিয়ে তাকে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে।

গ্রেপ্তার হওয়া দুইজনকে দুপুরে আদালতে হাজির করলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

দু’জনের জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাসায় লজিং থেকে রুপাকে পড়াতেন সাইফুর। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
সম্প্রতি মোজাম্মিলের সাথে প্রেমে জড়ান রুপা। এতে বাঁধা দেন সাইফুর। এ নিয়ে বিরোধের জের ধরে মোজাম্মিল ও রুপা পরিকল্পনা করে সাইফুরকে হত্যা করেন।