ভুটানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে বাংলাদেশ

ভুটানকে ৫-০ গোলে বিধ্বস্ত করে ফাইনালে বাংলাদেশ

সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের সেমিফাইনালে ভুটানকে ৫-০ গোলে গুড়িয়ে দিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করলো বাংলাদেশের মেয়েরা। দলের পক্ষে গোল করেছেন আনাই মগিনি, আনুচিং মগিনি, তহুরা খাতুন, মারিয়া মান্ডা এবং শাহেদা আক্তার রিপা।

এই জয়ে টুর্নামেন্টটির দ্বিতীয় আসরেও ফাইনালে উঠলো বাংলাদেশ নারী দল। চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট ধরে রাখতে বাংলাদেশের মেয়েদের সামনে এখন মাত্র এক ম্যাচ বাকি। প্রতিপক্ষ  ভারত। আর সেই ম্যাচে ভারতকে হারাতে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মত দক্ষিণ এশিয়ার সেরা হবে লাল-সবুজরা। টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৮ আগস্ট।

বৃহস্পতিবার থিম্পুর চাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে ম্যাচ শুরুর ষষ্ঠ মিনিটেই সুযোগ পায় সফরকারীরা। কিন্তু লক্ষভ্রষ্ট শটে সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি মারিয়া মান্ডার দল। ম্যাচের ১৮তম মিনিটে বল জালে পাঠানোর সুযোগ পান আনাই মোগোনি। সুযোগ হাতছাড়া না করে বল ঠিকানায় পাঠিয়ে বাংলাদেশকে প্রথমে এগিয়ে নেন তিনি।

৩৮তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করেন আনাইয়ের বোন অনুচিং। দুই বোনের গোল করার পাঁচ মিনিটের মাথায় তৃতীয় গোলটি করেন তহুরা খাতুন। সতীর্থের বাড়ানো বল ডি-বক্সের ভেতরে ঢুকে ভুটানের জালে পাঠান তহুরা।

এরপর দ্বিতীয়ার্ধের শুরুর দিকে কয়েকবার আক্রমণ এনেও গোল বারে বল পাঠাতে ব্যর্থ হয় ভুটান। ম্যাচের বেশির ভাগ সময় বল থাকে বাংলাদেশের দখলে।

ম্যাচের ৬৯তম মিনিটে গোলের দেখা পান বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা। ডি-বক্সে বাহিরে থেকে জোরালো শটে গোলটি করেন তিনি। আর শেষের দিকে ৮৬তম মিনিটে জয়সূচক গোলটি করেন তহুরার বদলি হিসেবে মাঠে নামা শাহেদা আক্তার রিপা।

গ্রুপ ‘বি’ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে ওঠে বাংলাদেশ। এই গ্রুপ থেকে গ্রুপ রানার আপ হয় নেপাল। বাংলাদেশ গ্রুপ পর্বে পাকিস্তানকে ১৪-০ ও নেপালকে ৩-০ গোলে পরাজিত করে। আর এক ম্যাচে জয় পেয়েই নেপাল উঠে যায় সেমিফাইনালে। তারা পাকিস্তানকে ৪-০ গোলে পরাজিত করে।

২০১৭ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল সাফ অনূর্ধ্ব-১৫ উইমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসর। ওই আসরের ফাইনাল ম্যাচে ভারতেক ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।