সোহেল নয়, ১৮ কোটি মানুষের উপর গুলি : ফখরুল

সোহেল নয়, ১৮ কোটি মানুষের উপর গুলি : ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ভোটের দিন সোহেলের উপর নয়, ১৮ কোটি মানুষের উপর গুলি করা হয়। ব্যক্তিগত কোনো কাজে সোহেল ভোটকেন্দ্রে যায়নি, গিয়েছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামে শরিক হতে।

সোমবার বিকালে বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সায়েম আহমদ সোহেলের শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
গত ৩০ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে গুলিতে নিহত হন সোহেল। সোমবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা সোহেলের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানাতে সিলেট সফরে যান। দুপুরে হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) এর মাজার জিয়ারত শেষে তারা বালাগঞ্জে যান।

নিহত ছাত্রদল নেতা সোহেলের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতারা। পরে সেখানে গ্রামের মাঠে শোকসভায় বক্তব্য রাখেন তারা।

বালাগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল হুদা জায়গীরদারের সভাপতিত্বে এবং জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আহাদ খান জামাল ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান মুজিবের পরিচালনায় শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘শহীদের রক্ত বৃথা যায় না, সোহেলের রক্তও বৃথা যাবে না।’

জাসদের সভাপতি আ স ম আব্দুর রব বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রে পুলিশ গুলি করবে, এজন্য তো দেশ স্বাধীন হয়নি।’

সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য শফি আহমদ চৌধুরী, ‘নিখোঁজ’ ইলিয়াস আলীর ভাই আসকির আলী, নিহত ছাত্রদল নেতা সোহেলের চাচাতো ভাই লুৎফুর রহমান।

আরও মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষক-শ্রমিক-জনতা লীগের সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কলিম উদ্দিন মিলন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের শামীম প্রমুখ।