উল্টো পথে ট্রাম্প!

উল্টো পথে ট্রাম্প!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগে থেকেই একের পর বিতর্কের জন্ম দিচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আমেরিকার ইউরোপীয় মিত্রদের সঙ্গে বিবাদ তৈরি করে উল্টো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সখ্যতার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। বুধবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিয়ে জার্মানিসহ পশ্চিমা মিত্রদের একহাত নিয়েছেন তিনি। ১১ জুলাই তোলা সম্মেলনের এক গ্রুপ ছবিতে দেখা যায়, সেখানে উপস্থিত ন্যাটো মহাসচিব জিন্স স্টোলটেনবার্গ, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলসহ বিশ্বনেতারা এক দৃষ্টিতে সংস্থাটির সামরিক প্রদর্শনী উপভোগ করছিলেন। কিন্তু সেখানে থাকা একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে উল্টো দিকে তাকিয়েছিলেন ট্রাম্প।

ইউরোপের সঙ্গে ট্রাম্পের দৃশ্যমান দূরত্বের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ছবিকে। বলা হচ্ছে, ন্যাটো সম্মেলনে যে বার্তা দিয়েছেন তার প্রতীকী সারমর্ম হলো এই ছবি।

ট্রাম্পের অভিযোগের সারবত্তা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের উদারতার সুযোগ নিচ্ছে ন্যাটোভুক্ত অন্য দেশগুলো। অন্যদের একাই টেনে তুলতে হচ্ছে ওয়াশিংটনকে; যা অন্যায্য। ফলে এমন জোট ধরে রেখে আমেরিকার লাভ কী?

মার্কিন প্রেসিডেন্টের কটাক্ষের জবাবে ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক বলেন, তিনি (ট্রাম্প) প্রায় নিয়মিত ইউরোপের সমালোচনা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের চেয়ে ভালো মিত্র নেই বলেও ট্রাম্পকে স্মরণ করিয়ে দেন ডোনাল্ড টাস্ক। এ সময় তিনি আফগানিস্তান যুদ্ধে ইউরোপের আমেরিকার পাশে দাঁড়ানোর কথা উল্লেখ করেন।

ন্যাটো সম্মেলন শেষে দুই দিনের সফরে বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্য যাওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। আগামী ১৬ জুলাই ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি’তে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি।