‘মশার প্রজননস্থল নির্মূলে সফলতা না এলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে’

‘মশার প্রজননস্থল নির্মূলে সফলতা না এলে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়বে’

সিলেটভিউ ডেস্ক :: এডিস মশার প্রজননস্থানগুলো ধ্বংসে সফলতা না এলে এই রোগের প্রকোপ আরও বাড়তে পারে। মশার প্রজননস্থল নির্মূলে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে, জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতর।

সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ১৭ হাজার ১৮৩ জন। এরমধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় ১৪ জন মারা গেছেন। তবে সংবাদপত্রে আসা খবরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা এ বছর অর্ধশত ছাড়িয়েছে। বুধবার (৩১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদফতরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক সেব্রিনা ফ্লোরা এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সোর্স রিডাকশনে সফল হই তাহলে এটাকে থামাতে পারব। সুতরাং একটাই পদ্ধতি সেটা হচ্ছে সোর্স রিডাকশন।

তিনি আরও বলেন, যত রকম ওষুধই ব্যবহার করি না কেন যদি সোর্স রিডাকশন না হয় এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব। সেটা না হলে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়বে। পরে আস্তে আস্তে কমে আসবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) থেকে ১ লাখ এনএস১ (NS1) কিট নেবে সরকার। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আরও এক লাখ কিট দেবে যেগুলো আমরা বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠিয়ে দেব। এগুলো বিনা পয়সায় দেওয়া হবে।

সাধারণত আগস্ট-সেপ্টেম্বরে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও এ বছর জুনের শুরুতেই ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের খবর আসতে থাকে। জুলাইয়ে এসে তা ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে। মঙ্গলবার পর্যন্ত নেত্রকোণা ছাড়া সবগুলো জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের তথ্য পাওয়া গেছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার পরিচালক সানিয়া তহমিনা, জাতীয় ম্যালেরিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচীর ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার এম এম আক্তারুজ্জামান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আয়েশা আক্তার প্রমুখ।